1. meheralibachcu@gmail.com : Meher Ali Bachcu : Meher Ali Bachcu
  2. anarulbabu18@gmail.com : Anarul Babu : Anarul Babu
  3. mahabub3044@gmail.com : Mahabub Islam : Mahabub Islam
  4. dainikmeherpurdarpon@gmail.com : meherpurdarpon :
  5. n.monjurul3@gmail.com : monjurul : monjurul
  6. banglahost.net@gmail.com : rahad :
মেহেরপুরে জমে উঠেছে শীতকালীন ব্যাডমিন্টন - দৈনিক মেহেরপুর দর্পণ
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন

মেহেরপুরে জমে উঠেছে শীতকালীন ব্যাডমিন্টন

Mahabub Islam
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৭২ বার পঠিত

প্রায় মাস খানেক পূর্ব থেকে নামতে শুরু করেছে শীত। আর তাই খোলা মাঠের জমিতে, বাগানে কিংবা বাড়ির পাশের জমিতে কোর্ট কেটে লাইটের আলোয় চলছে খেলা। র‌্যাকেটের বাড়ি খেয়ে হাওয়ায় উড়ছে কর্ক। কেউ সমস্বরে পয়েন্ট গুনছেন, কেউবা সুযোগ পেয়ে সজোরে ‘চাপ’ বসিয়ে দিচ্ছেন বিপক্ষ দলের কোর্টে। কোর্টের পাশে র‌্যাকেট হাতে দাঁড়িয়ে অন্যান্য খেলোয়াড়, দর্শক। র‌্যাকেটের বাড়ি আর দর্শকের হাত তালিতে মুখর পুরো এলাকা।

এ চিত্র মেহেরপুর সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার প্রায় প্রতিটা শহর ও গ্রামে। শিশু থেকে শুরু করে কিশোর, যুবকসহ মধ্য বয়সীরা এখন ব্যাডমিন্টন খেলায় মেতে উঠেছেন।
শীতের সন্ধ্যায় পাড়া কিংবা মহল্লায়, শহর কিংবা গ্রামে ব্যাডমিন্টন খেলার এ চিত্র খুব পরিচিত। শীত এলেই বাড়ির আঙিনা বা অন্য কোথাও জমে ওঠে এই মৌসুমী খেলা। সন্ধ্যা নামার পরপরই র‌্যাকেট নিয়ে মাঠে হাজির হন অফিস ফেরত কর্মজীবী ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। সকালেও কোন কোন যায়গায় মিলছে এ খেলা। এসব খেলোয়াড়দের হুল্লোড়ে মুখর থাকে পুরো এলাকা।
মেহেরপুরের যুব সমাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী ছেলে মেয়েরা সন্ধ্যার পর থেকেই ব্যাডমিন্টন খেলায় মেতে ওঠেন। বিশেষ করে রাত ৮ টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এই খেলায় অংশ নেওয়া মানুষের সংখ্যা থাকে বেশি।
শনিবার (২৪ ডিসেম্বর), সন্ধার পূর্ব মূহুর্তে মেহেরপুর সদর উপজেলার বারাদী গিয়ে দেখা যায়, ব্যাটমিন্টন খেলায় মেতে উঠেছে শিশু-কিশোররা। ব্যাটমিন্টন নেটের দুই পাশের খুঁটিতে বিদ্যুতিক বাল্ব জ্বালানোর জন্য তৈরি রেখেছে। সন্ধা হলেই তা অন করা হবে।
বারাদী জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকার খেলোয়াড়রা দৈনিক মেহেরপুর দর্পণ কে বলেন, ‘ব্যাডমিন্টন আমাদের খুবই প্রিয় খেলা। শীতের শুরুতেই আমরা এই খেলা শুরু করেছি। প্রতিদিন বিকেলে এখানে ব্যাডমিন্টন খেলতে আসি। তারা জানান, খেলার সকল উপকরণ নিজ উদ্যোগে কিনেছেন। এ খেলার জন্য নির্ধারিত মাঠ তৈরি করে দেওয়া হলে ভালো হয় জানালেন তারা।
হাড়াভাঙ্গা গ্রামের কয়েকজন খেলোয়াড় জানান, ডিসেম্বর মাস শেষের দিকে। পড়ালেখার চাপ তেমন একটা নেই। তাই সন্ধ্যা হলেই বন্ধুদের সঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলতে চলে আসি।
মাইলমারী গ্রামে ব্যাডমিন্টন কোর্টের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক দর্শক বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই এখানে খেলা দেখতে আসি। বিভিন্ন এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কর্তৃক খেলার সামগ্রী পেলেও আমাদের গ্রাম পিছিয়ে রয়েছে।
ভারতীয় সীমান্তবর্তী তেঁতুলবাড়ীয়া গ্রামের কয়েকজন খেলোয়াড় জানান, আমাদের এই এলাকাটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় মাদকের প্রবণতা বেশি। শীত আসলেই বিভিন্ন বয়সের খেলোয়াড়রা এখানে ব্যাডমিন্টন খেলতে মেতে ওঠেন। খেলাধুলার মধ্যে ডুবে থাকলে শরীরের পাশাপাশি মনও ভালো থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs