1. meheralibachcu@gmail.com : Meher Ali Bachcu : Meher Ali Bachcu
  2. anarulbabu18@gmail.com : Anarul Babu : Anarul Babu
  3. mahabub3044@gmail.com : Mahabub Islam : Mahabub Islam
  4. dainikmeherpurdarpon@gmail.com : meherpurdarpon :
  5. n.monjurul3@gmail.com : monjurul : monjurul
  6. banglahost.net@gmail.com : rahad :
মেহেরপুরের সাধারণ মানুষের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই!  - দৈনিক মেহেরপুর দর্পণ
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ১২:৩০ অপরাহ্ন

মেহেরপুরের সাধারণ মানুষের নিরব কান্না দেখার কেউ নেই! 

মেহেরপুর সংবাদদাতা
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৫৭ বার পঠিত

মেহেরপুরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম যেভাবে লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলেছে আর কিছুদিন পর এভাবে চলতে থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোকে না খেয়ে মরতে হবে।

খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষের রান্না করার গ্যাসের সিলিন্ডার আর কৃষকদের কৃষি কাজে চালিত শ্যালো ইঞ্জিনে ব্যবহৃত ডিজেলের কথা নাই বা বললাম।

চিনি ৬০ টাকা কেজি থেকে বেড়ে ৮০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। আখের গুড় ১২০/১৩০, খেজুরের গুড় কিংবা পাটালি ২৫০/২৮০ টাকা হলেও আসলটা পাওয়া একেবারে অসম্ভব। সয়াবিন তেল ৮০ টাকা কেজি থেকে বাড়তে বাড়তে তা ১৬২ টাকায় পৌঁছেছে। গরিবের প্রতিদিনের সবজি মেহেরপুরের আলু কেজি প্রতি ১০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫/২০ টাকায়, বগুড়ার আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে নিত্য দিনের পেঁয়াজ ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শীত মৌসুমে মেহেরপুর জেলার সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার প্রায় প্রতিটা এলাকায় প্রচুর সবজির আবাদ হলেও তা প্রায় সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

সম্প্রতি সময়ে যে হারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে, সে হারে সাধারণ মানুষের ইনকাম কিন্তু বাড়েনি বরং আগের চেয়ে আরও কমেছে।

মেহেরপুর ও গাংনী শহরের খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম প্রতি কেজি ১০০ টাকা, পাতাকপি ১৫/২০ টাকা, ফুলকপি ৩০/৩৫ টাকা, টমেটো ২৫/৩০ টাকা, গাজর ১৫/২০ টাকা, মুলা ২০/২৫ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, মটরশুঁটি ৫০ টাকা, ধনেপাতা ৬৫/৮৫ টাকা, পালংশাক ৩০০ গ্রামের আঁটি ১০ টাকা, আদা ১০০ টাকা, লালশাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ৩০ টাকা, মাটির নিচের আলু ৬৫ টাকা, কাঁচা কলা ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, শশা ৩০ টাকা, কুমড়া ৩০ টাকা, শিম ৩০ টাকা কেজিসহ প্রায় সকল ধরনের সবজির দাম উর্ধগতিতে রয়েছে।  তবে ক’দিন পূর্বে সবজির দাম আরও চওড়া ছিল।

এদিকে মাছের বাজারে প্রতি কেজি ছোট সাইজের ইলিশ (৪/৫ টাতে কেজি) বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়, সিলভার কার্প প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ টাকা, ভেটকি ১৫০ টাকা, জাপানি মাছ প্রতি কেজি ১৮০/২২০ টাকা, শিং মাছ ৬৫০ টাকা, গুচুই ৪৫০ টাকা, ছোট মৃগেল ১৫০ টাকা, পাংগাস ১২০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৭০ টাকা, গরুর মাংস ৫৫০/৬০০ টাকা, আঙুর ৩০০/৪০০ টাকা, বেদানা ২২০/২৫০ টাকা, কমলা ২৫০/২৮০ টাকা, আনারস ছোট্ট সাইজের ৯০/১০০ টাকা টক (যদিও ১০০℅ মিষ্টি বলে গ্যারান্টি দেওয়া হয়ে থাকে), ডাব প্রতিটা মাঝারি সাইজ ৬৫ টাকা, পেয়ারা ৪০/৫০ টাকাটসহ প্রায় সকল ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী।

এগুলো ছাড়াও প্রতিদিনের রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম উর্ধগতিতে। তবে গাংনী উপজেলার সাহারবাটী ইউনিয়নের ভাটপাড়া নীলকুঠি এলাকার বাজারে সবজির দাম কিছুটা কম দামে বিক্রি করে হয় কারণ এ এলাকায় প্রায় সব ধরনের সবজি প্রচুর পরিমানে উৎপাদন হয়। ক’জনেই বা ভাটপাড়া নীলকুঠি বাজারে সবজি ক্রয় করতে আসে এটাও একটি বড় প্রশ্ন।

এমতবস্থায় মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষগুলো দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধিতে কতটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই ভালো জানেন।

বর্তমানে মেহেরপুর জেলার সাধারন মানুষের নিরব কান্না দেখার মতো কেউ আছে বলে মনে হয়না।

এমতবস্থায় দ্রব্য মূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে খেটে খাওয়া মানুষগুলোকে স্বাভাবিক ভাবে জীবিকা নির্বাহ করার সুযোগ করে দেবার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী জনসাধারণ।

( এ বাজার মূল্যের তথ্য শুধুমাত্র মেহেরপুর শহরের বড়বাজার কাঁচাবাজার, গাংনী বাজার ও ভাটপাড়া বাজার থেকে সংগৃহীত)।

মেহেরপুরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম যেভাবে লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলেছে আর কিছুদিন পর এভাবে চলতে থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোকে না খেয়ে মরতে হবে।

খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষের রান্না করার গ্যাসের সিলিন্ডার আর কৃষকদের কৃষি কাজে চালিত শ্যালো ইঞ্জিনে ব্যবহৃত ডিজেলের কথা নাই বা বললাম।

চিনি ৬০ টাকা কেজি থেকে বেড়ে ৮০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। আখের গুড় ১২০/১৩০, খেজুরের গুড় কিংবা পাটালি ২৫০/২৮০ টাকা হলেও আসলটা পাওয়া একেবারে অসম্ভব। সয়াবিন তেল ৮০ টাকা কেজি থেকে বাড়তে বাড়তে তা ১৬২ টাকায় পৌঁছেছে। গরিবের প্রতিদিনের সবজি মেহেরপুরের আলু কেজি প্রতি ১০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫/২০ টাকায়, বগুড়ার আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে নিত্য দিনের পেঁয়াজ ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শীত মৌসুমে মেহেরপুর জেলার সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার প্রায় প্রতিটা এলাকায় প্রচুর সবজির আবাদ হলেও তা প্রায় সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

সম্প্রতি সময়ে যে হারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে, সে হারে সাধারণ মানুষের ইনকাম কিন্তু বাড়েনি বরং আগের চেয়ে আরও কমেছে।

মেহেরপুর ও গাংনী শহরের খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম প্রতি কেজি ১০০ টাকা, পাতাকপি ১৫/২০ টাকা, ফুলকপি ৩০/৩৫ টাকা, টমেটো ২৫/৩০ টাকা, গাজর ১৫/২০ টাকা, মুলা ২০/২৫ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, মটরশুঁটি ৫০ টাকা, ধনেপাতা ৬৫/৮৫ টাকা, পালংশাক ৩০০ গ্রামের আঁটি ১০ টাকা, আদা ১০০ টাকা, লালশাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ৩০ টাকা, মাটির নিচের আলু ৬৫ টাকা, কাঁচা কলা ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, শশা ৩০ টাকা, কুমড়া ৩০ টাকা, শিম ৩০ টাকা কেজিসহ প্রায় সকল ধরনের সবজির দাম উর্ধগতিতে রয়েছে।  তবে ক’দিন পূর্বে সবজির দাম আরও চওড়া ছিল।

এদিকে মাছের বাজারে প্রতি কেজি ছোট সাইজের ইলিশ (৪/৫ টাতে কেজি) বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়, সিলভার কার্প প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ টাকা, ভেটকি ১৫০ টাকা, জাপানি মাছ প্রতি কেজি ১৮০/২২০ টাকা, শিং মাছ ৬৫০ টাকা, গুচুই ৪৫০ টাকা, ছোট মৃগেল ১৫০ টাকা, পাংগাস ১২০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৭০ টাকা, গরুর মাংস ৫৫০/৬০০ টাকা, আঙুর ৩০০/৪০০ টাকা, বেদানা ২২০/২৫০ টাকা, কমলা ২৫০/২৮০ টাকা, আনারস ছোট্ট সাইজের ৯০/১০০ টাকা টক (যদিও ১০০℅ মিষ্টি বলে গ্যারান্টি দেওয়া হয়ে থাকে), ডাব প্রতিটা মাঝারি সাইজ ৬৫ টাকা, পেয়ারা ৪০/৫০ টাকাটসহ প্রায় সকল ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী।

এগুলো ছাড়াও প্রতিদিনের রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম উর্ধগতিতে। তবে গাংনী উপজেলার সাহারবাটী ইউনিয়নের ভাটপাড়া নীলকুঠি এলাকার বাজারে সবজির দাম কিছুটা কম দামে বিক্রি করে হয় কারণ এ এলাকায় প্রায় সব ধরনের সবজি প্রচুর পরিমানে উৎপাদন হয়। ক’জনেই বা ভাটপাড়া নীলকুঠি বাজারে সবজি ক্রয় করতে আসে এটাও একটি বড় প্রশ্ন।

এমতবস্থায় মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষগুলো দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধিতে কতটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই ভালো জানেন।

বর্তমানে মেহেরপুর জেলার সাধারন মানুষের নিরব কান্না দেখার মতো কেউ আছে বলে মনে হয়না।

এমতবস্থায় দ্রব্য মূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে খেটে খাওয়া মানুষগুলোকে স্বাভাবিক ভাবে জীবিকা নির্বাহ করার সুযোগ করে দেবার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী জনসাধারণ।

( এ বাজার মূল্যের তথ্য শুধুমাত্র মেহেরপুর শহরের বড়বাজার কাঁচাবাজার, গাংনী বাজার ও ভাটপাড়া বাজার থেকে সংগৃহীত)।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Bangla Webs